আপডেট
১৯-০৩-২০১৭, ১১:৫৪

মন্দার পর থেকেই ধস নেমেছে গ্রিসের অর্থনীতিতে

greece-children-jpg-ed
বেকারত্ব আর দেনার দায়ে জর্জরিত হয়ে সন্তানদের আশ্রয়কেন্দ্রে দিয়ে দিচ্ছেন গ্রিসের অনেক অভিভাবক। অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল না হওয়ায় সন্তান পালনের ব্যয়ভার বহন করতে পারছেন না তারা। ২০০৯ সালের আর্থিক মন্দার পর থেকেই ধস নেমেছে দেশটির অর্থনীতিতে। যার প্রভাব পড়েছে ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে। শর্তের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠী ঋণ দিয়ে সহায়তা করলেও এখনো ঘুরে দাড়াতে পারেনি গ্রিকরা। ২০০৮ সালে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়া ইউরোপের অনেক দেশে। গ্রিসের মন্দা ২০০৯ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু। এরপর দাতাগোষ্ঠী থেকে ঋণ পাওয়ার লক্ষ্যে সরকারি বিভিন্ন খাতে ব্যয় কমানো, কর বাড়ানোসহ বেশ কিছু ব্যয় সংকোচন শর্ত হাতে নেয় গ্রিস। এতে বিক্ষোভ শুরু হয় পুরো গ্রিসে। ক্ষমতার পালাবদলে ২০১৫ সালে বামপন্থী অ্যালেক্সিস সিপরাস ক্ষমতায় এসেও ঋণের জন্য জনগণের ওপর চাপিয়ে দেন দাতাগোষ্ঠীর ব্যয় সংকোচন শর্ত।

ঋণশর্তের চাপে দেশটিতে বর্তমানে বেকারত্ব হার চরমে পৌঁছেছে। বিনিয়োগের অভাবে স্থবিরতা চলে এসেছে দেশটির অর্থনীতিতে। হন্য হয়ে চাকরি খুঁজলেও দেখা নেই চাকরির। অর্থের অভাবে মিলছে না অনেকের মাথা গোঁজার ঠাঁইও। বাধ্য হয়ে তাই সন্তানদের আশ্রয়কেন্দ্রে দিয়ে দিচ্ছেন অভিভাবকরা। স্বেচ্ছাসেবী খাতে সরকারি ব্যয় কমায় এসব আশ্রয়কেন্দ্র চলছে অনুদানের ওপর নির্ভর করে।

জাতিসংঘের গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে দেশটির এক তৃতীয়াংশ মানুষ বেকার। পাশাপাশি এক তৃতীয়াংশ শিশু দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে।

এমন অবস্থায় কাটছাঁট হয়েছে সরকারি ব্যয়। চাকরিজীবীদের বেতন নেমে এসেছে অর্ধেকে। অর্থনৈতিক অবস্থার কোন উন্নতি না হলে এ সংখ্যা দিনদিন বাড়বে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে