আপডেট
১২-১০-২০১৮, ১২:৩৯
বাণিজ্য সময়

ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির পরামর্শ

egg-day
প্রাণিজ আমিষের অন্যতম সহজ উৎস ডিম। ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে এখনও তাল মেলাতে পারেনি এর উৎপাদন।

 

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বলছে, গেল দুই অর্থবছরে ডিমের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৩৩০ কোটি পিস। তারপরও ঘাটতি ১৬০ কোটি। ডিম উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী অর্থবছরেই স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব বলে মনে করছেন তারা। উৎপাদন বৃদ্ধির সুফল পেতে ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ পুষ্টিবিদদের। আর নায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান, খাত সংশ্লিষ্টদের।


তিন দশক আগেও তেমন একটা সহজলভ্য ছিল না হাঁস-মুরগির ডিম। সময় বদলেছে, এখন হাতের নাগালেই ডিম পাচ্ছেন ভোক্তারা; প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় মাছ, মাংসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিমও। পাশাপাশি ব্যবহার হচ্ছে বেকারির বিস্কুট, কেক, পুডিং'সহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য তৈরিতেও।

পুষ্টি গবেষকরা বলছেন, সপ্তাহে চারটি ডিম খেলে টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে ৩৭ শতাংশ। আর সপ্তাহে ছয়টি ডিম খেলে মেয়েদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে ৪০ শতাংশ।

শেকৃবি'র এনিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডীন ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘অনেকের ধারণা, ডিমে কোলেস্টেল বেশি, ডিম খেলে মুটিয়ে যায়। কিন্তু ডিমের মধ্যে সব নিউক্লিন এমনভাবে সন্নিবেশিত থাকে যা শরীরের ক্ষতি করবে এমন কিছুর সুযোগ নাই।’


একজন মানুষের বছরে গড়ে ১০৪টি ডিম খাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে খাচ্ছেন ৯৫টি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, দেশে প্রায় ১ হাজার ৭১৩ কোটি পিস চাহিদার বিপরীতে ডিমের উৎপাদন ১ হাজার ৫৫২ কোটি। প্রচলিত ডিমের পাশাপাশি বাজারে মিলছে ওমেগা-ত্রি ও অর্গানিক সমৃদ্ধ ডিমও।

বর্তমানে দেশে উৎপাদিত ডিমের ৯০ শতাংশই হয় বাণিজ্যিকভিত্তিতে। বাংলাদেশ পোল্ট্রি গবেষণা সেন্ট্রাল কাউন্সিল'র তথ্য মতে, বছরে ডিম কেন্দ্রিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৪-১৫ হাজার কোটি টাকা। ডিমের উৎপাদন বাড়াতে খামারিদের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার কথা জানিয়েছে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

দেশে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৭০ হাজার পোল্ট্রি খামার রয়েছে।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে