আপডেট
১০-১০-২০১৮, ২০:০৯
মহানগর সময়

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে আনা সহজ কী?

expert-reax
একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত রায়ে মাধ্যমে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন হলো বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এর মাধ্যমে রাষ্ট্র যন্ত্রকে ব্যবহার করে এমন সন্ত্রাসি কর্মকান্ড করার দৃষ্টতা কেউ দেখাবেনা বলেই মনে করেন তারা। তারেক রহমানের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের কারণে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা সহজ হবে বলেও মনে করেন তারা।


অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষীত রায়। ঘটনার ১৪ বছরের পর বুধবার তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুর রহমান বাবরসহ ১৯ জনের ফাঁসি আর তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীব আর ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন আদালত।

এরায়ে অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিলো বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এর মাধ্যমে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে এধরণের কর্মকান্ডকে নিরুৎসাহীত করবে।

অপরাধ বিশ্লেষক অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, 'সমাজে যদি অপরাধ হতে থাকে এবং তার বিচার না হয় তাহলে দায় মুক্তির সংস্কৃতি বেড়েই চলবে। সুতরাং সেই জায়গাটা মনে রেখে, ২১ আগস্টের মতো নৃসংশ ঘটার বিচার দরকার ছিল।'

তিনি বলেন, 'বিচার করলেই হবে না। এই রায় কার্যকরের উপরই সঠিক বিচার নির্ভর করে।'

আইজ্ঞ ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলাম বলেন, 'আমাদের কলঙ্ক পরিশোধিত হয়েছে। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকে আমি বলি 'ছোট গণহত্যা'। সঠিকভাবে বিচার না করলে এরা বারবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে।'


তবে পলাতক আসামীদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করাই বড় চ্যালেঞ্জ বলেই মনে করেন তারা তবে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের ফিরিয়ে আনা সহজ হবে বলেই মত তাদের।

আইজ্ঞ ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলাম বলেন, 'যাবজ্জীবন প্রাপ্তদের বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আনা সহজ হবে।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে