এম এ আজিম
আপডেট
১৪-০৯-২০১৮, ০৯:২৮
বাংলার সময়

সুন্দরবন থেকে সমুদ্রে তৎপর ১২ জলদস্যুর দল!

pirates
আবারো সমুদ্রে বেড়েছে জলদস্যুদের উপদ্রব। তাই আতঙ্ক বিরাজ করছে জেলেদের মাঝে। ইতোমধ্যে মুক্তিপণের দাবিতে শতাধিক জেলেকে জিম্মি করেছে জলদস্যুদের বিভিন্ন বাহিনী। তাই মাছ ধরার জন্য গভীর সমুদ্রে আবারো অনিরাপদ হয়ে পড়েছে জেলেদের কাছে। যেকোন মূল্যে জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তৎপর থাকার কথা জানালো র‌্যাব। 

 

‘জলদস্যু’ বরগুনাসহ উপকূলের জেলেদের কাছে আতঙ্কের নাম। তবে গত দুই বছরে কোনো অস্তিত্ব ছিলনা। কিন্তু এ বছর ইলিশ মৌসুম শুরুর সাথে সাথে আবারো সমুদ্রে শুরু হয়েছে জলদস্যুদের তাণ্ডব। জেলেদের জাল, মাছ ও ট্রলার লুট ও মুক্তিপণের দাবিতে জেলেদের জিম্মি করে নির্যাতন শুরু করেছে তারা। অসহায় জেলেদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তাই আবারো আতঙ্ক বিরাজ করছে উপকূলের জেলেদের মাঝে।

একজন জেলে বলেন, ‘ধরলেই বলে দুই লাখ দাও, এক লাখ দাও। আর জলদসু্যরা তো পুরোপুরি ধরা পড়ে না।’

আরেকজন বলেণ, ‘দুই বছর ভালো থাকলাম। এখন তো আবার ডাকাত জ্বালায়।’

তবে দস্যু দমনে জেলেদের একমাত্র ভরসা র‌্যাব। জেলেরা বলছেন, সুন্দরবনে র‌্যাবের আবারো সক্রিয় অভিযান হলে বন্ধ হবে জলদস্যুদের তাণ্ডব। 


এক জেলে বলেন, ‘র‌্যাব যদি ঠিক মতো টহল দেয়, তাহলে আশা করা যায়, জলদস্যু যাবে।’

আরেকজন বলেন, ‘কোস্টগার্ড যতদিন ছিলো, ততদিন ডাকাত নির্মূল হয়নি। যখন র‌্যাব দিয়েছে, তখন থেকেই ডাকাতটা নির্মূল হয়েছে।’ 

অবশ্য র‌্যাব বলছে, সুন্দরবন বিরাট দূর্গম এলাকা হলেও যে কোন মূল্যে জলদস্যু দমনে বদ্ধ পরিকর তারা। 

সি পি সি স্পেশাল র‌্যাব-৬ খুলনার কমান্ডার মো: এনায়েত হোসেন মান্নান বলেন, ‘সুন্দরবন তো একটা ব্যাপক এলাকা। র‌্যাবের পক্ষ থেকে আমরা যে কোনো মূল্যে জলদস্যুদের দমন করবো। জেলে ও বাওয়ালীদের মনে যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছি, এটা ধরে রাখবো ইনশাল্লাহ।’

বর্তমানে সুন্দরবনে থেকে “গরিবের বন্ধু ছত্তার ভাই”, “ছোট ভাই”, “মেজো ভাই”, “নোয়া ভাই”সহ প্রায় ১২টি জলদস্যু বাহিনী সমুদ্রে সক্রিয় রয়েছে। 




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে