মানিক সরকার
আপডেট
১৩-০৭-২০১৮, ০০:৪৫
বাংলার সময়

তীব্র ভাঙন আতঙ্কে অস্থির তিস্তা পাড়ের মানুষ

tista-vangon-somoy
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় আবারও হা করেছে তিস্তা। কয়েকদিনে গিলে ফেলেছে দু’শতাধিক পরিবারের বাড়িঘর, ফসলি জমিসহ সবকিছু। আর ভাঙনের মুখে বসতি, স্কুল-কলেজ, হাট-বাজার। পুরো জনপদ আতঙ্কে অস্থির হলেও ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করলেও তা দায়সারা বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

গতবারের প্রলংয়করী বন্যা আর ভাঙনে ভেঙ্গে পড়া ব্রিজ-কালভার্ট, রাস্তাঘাট সংস্কার আর পুননির্মাণের কাজ শেষ হয়নি। এর মধ্যেই এবার নতুন করে তীব্র-ভাঙন আতঙ্কে অস্থির তিস্তা পাড়ের মানুষ।

গত ক’দিনে সব হারিয়ে দিশেহারা ২’শ পরিবার।  ভেসে গেছে  কাঁচাপাকা ঘরবাড়ি, গাছপালাসহ সবকিছু। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড শুধুমাত্র বাঁশের পাইলিং দিয়ে দায় সারছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

গত বছর শংকরদহ সরকারি বিদ্যালয়, আলমবিদিতর মাদ্রাসাসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়েছে। এবারও বিলীনের মুখে পুরাতন চর শংকরদহসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

 রংপুর গঙ্গাচড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলু, 'এই ভাঙনে উপজেলা পরিষদের খুব একটা ব্যবস্থা নাই।'

তবে মাঠ-প্রশাসনের কর্মকর্তার দাবি, গতবারের ক্ষতি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা গেছে, এবারও ভাঙন রোধে কাজ করছেন তারা।


রংপুর গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  সৈয়দ এনামুল কবীর বলেন, 'বন্যার বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। বন্যার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।'

রংপুর পাউবো তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হারুন অর রশীদ বলেন, 'যেখানে যেখানে ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। সেখানে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।'

গঙ্গাচড়া উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টি ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষই নদী ভাঙনের শিকার।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে