আপডেট
১৬-০৫-২০১৮, ০৫:০৫

রমজানের আগেই রাজধানীতে তীব্র গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট

utility
রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায় চলছে গ্যাসের তীব্র সংকট। এর মধ্যে আছে কমবেশি লোডশেডিংও। আর তাই আসছে রমজানে সেহরি-ইফতারিতে ভোগান্তিতে পড়ার আশঙ্কা নগরবাসীর। গ্যাস-বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চলতি মাসেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আর রমজানে ৬ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখায় স্বাভাবিক থাকবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও আবাসিকে গ্যাস সরবরাহ। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এসব উদ্যোগে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও আবাসিকে গ্যাস সংকট কাটার তেমন সম্ভাবনা নেই।

 

বাসায় আছে গ্যাসের সংযোগ। কিন্তু কখনো টিমটিম করে জ্বলে চুলা। আবার কখনোও বা গ্যাস একদম হাওয়া, তাই বাধ্য হয়েই বন্ধ রাখতে হচ্ছে রান্নাবান্না। যাত্রাবাড়ি, রামপুরা, মোহাম্মদপুর, মিরপুর কিংবা পুরান ঢাকা--রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায়ই থাকছে না গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ। পাশাপাশি পুরো শহরেই লোডশেডিংও আবার ফিরে এসেছে। আর এসব কারণেই আসছে রমজানে গ্যাস-বিদ্যুতের মতো জরুরি সেবা নিয়ে দুশ্চিন্তার কমতি নেই নগরবাসীর।

ভুক্তভোগী নগরবাসীরা বলেন, 'আমরা ঠিক মতো বিল পরিশোধ করি। অথচ গ্যাস থাকে না। রান্নাবান্না করতে পারিনা। এই অবস্থা চলতে থাকলে ইফতারি কিভাবে করবো চিন্তায় আছি।'

যদিও নগরীর সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বরাবরের মতো রমজান নিয়েও শোনাচ্ছে আশার বাণীই। বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চলতি মাসেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে বিতরণ সক্ষমতাও।

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান বলেন, 'যেসব লাইনগুলোতে অনেক চাপ সেগুলো বিভাজন করা হয়েছে। আশা করি রমজানে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সমস্যা হবে না।'


অন্যদিকে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের আশ্বাস, দৈনিক ৬ ঘণ্টা করে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহে।

তিতাস গ্যাসের পরিচালক এইচ এম আলী আশরাফ বলেন, 'রমজান মাসে আমাদের সিস্টেমটা কিছুটা সহনীয় থাকবে এবং ইফতার ও সেহরির সময় গ্যাস সহনীয় পর্যায়ে থাকবে।'

তবে জাতীয় গ্রিডে নতুন করে গ্যাস যুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত আবাসিক গ্রাহকদের সংকট কাটার তেমন সম্ভাবনা দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, 'বাসা বাড়িতে যে গ্যাস সংকট আছে, সে অবস্থার কোনো উন্নতি হবে না সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার কারণে। এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে।'

তবে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তেলভিত্তিক হওয়ায় আবারো বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে