আপডেট
১১-০৩-২০১৮, ০৬:৪৪
বাণিজ্য সময়

দফায় দফায় বাড়ছে সিমেন্টের দাম

cement-price
রডের পর এবার বাজারে দফায় দফায় বাড়ছে সিমেন্টের দাম । দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিব্যাগ সিমেন্টে দাম বেড়েছে ৪০ টাকা পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সিমেন্টের উৎপাদন খরচ বেড়েছে । পাশাপাশি তাদের দাবি, বাড়তি বিপণন খরচের প্রভাবও পড়েছে সিমেন্ট বাজারে। অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা নির্মাণ সামগ্রীর দাম বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আবাসন খাত ও সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে।

 মানুষের জীবন মানের উন্নয়নের সাথে সরাসরি জড়িত অবকাঠামোর উন্নয়ন। তাই রাস্তাঘাট, শিল্প স্থাপনা ও আবাসন খাতে চলে বিরামহীন কর্মযজ্ঞ। এতে প্রতিনিয়তই বাড়ছে দেশের নির্মাণখাতে সিমেন্টের ব্যবহার। চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে সিমেন্টের উৎপাদনও থেমে নেই। বাজারে নতুন নতুন ব্রান্ডের সিমেন্ট এসেছে গত কয়েকবছরে। তবে সম্প্রতি সিমেন্টের দামে লেগেছে উর্ধমূখী হাওয়া।

 খুচরা বিক্রেতারা বলেন, ১৫ দিন আগে শাহ সিমেন্ট বিক্রি করেছি ৩৮০ টাকা। এখন বিক্রি করছি ৪১০ টাকা। যেখানে আমরা মাসে বিক্রি করতাম দুই হাজার তিন হাজার ব্যাগ সেখানে এখন অর্ধেক বিক্রি করতে হয়। আরও বিশ থেকে চল্লিশ টাকা বাড়বে।

কেন বাড়ছে সিমেন্টের দাম এ প্রশ্নের উত্তরে উৎপাদন পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিমেন্ট তৈরিতে ব্যবহার হয়-ক্লিংকার, স্ল্যাগ, জিপসাম, লাইমস্টোন ও ফ্লাই অ্যাশ এ পাঁচ ধরনের কাঁচামাল ব্যবহার হয়। যার সবগুলোই আমদানি নির্ভর । আন্তর্জাতিক বাজারে গত কয়েকমাসে এসব উপকরণের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত। এছাড়া মহাসড়কে ভারি যানবাহন নিয়ন্ত্রণের নির্দেশের কারণে, একই ভাড়ায় এখন ২৫ টনের জায়গায় ১৭ টন সিমেন্ট পরিবহন করা যাচ্ছে বলে জানান এ ব্যবসায়ী ।

সিমেন্ট মিল মালিক সমিতির সহসভাপতি বলেন, ভিয়েতনাম থেকে আমরা চাহিদার ৬০ শতাংশ ক্লিংকার নিয়ে আসতাম। সেই ক্লিংকার এখন চীন নিয়ে যায়। ২০ ডলারের ক্লিংকার ৫৩ ডলারেও আমরা পাচ্ছি না। আমরা বাড়াচ্ছি না খরচ বেড়ে গেছে। তাই এমনি দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কয়েক সপ্তাহ আগে রডের দাম বাড়ার পর এখন আবার সিমেন্টের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায়, সরকারি-বেসরকারি-খাতের নির্মাণ ব্যয় ৭ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।


অর্থনীতিবিদ সেলিম রায়হান বলেন, সামনে বছর গুলোতে প্রচুর অবকাঠামো নির্মাণ হবে। সেক্ষেত্রে দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

দেশে বর্তমানে ৩৪ টি কারখানায় বছরে ৩ কোটি টন সিমেন্ট উৎপাদন করা হচ্ছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানিতে নাম লিখিয়েছে সিমেন্ট খাত।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে