আপডেট
১৩-০২-২০১৮, ২০:৩২
তথ্য প্রযুক্তির সময়

ফোর-জি নিলাম: বাংলা লিংকের ১০.৬ মেগাহার্জ, গ্রামীণফোনের ৫

4g-pac-up
৩ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকায় দু'টি মোবাইল অপারেটরকে ফোর-জি তরঙ্গ বরাদ্দ দিলো বিটিআরসি। এরমধ্যে বাংলালিংক দুই ব্র্যান্ডের ১০ দশমিক ৬ মেগাহার্জ এবং গ্রামীণফোন কিনেছে ৫ মেগাহার্জ। মঙ্গলবার সকালে নিলামে এ বরাদ্দ দেয়া হয়। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী জানিয়েছেন গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার। তবে, বিশ্লেষকরা বলছেন, ফোর-জি সেবার সুফল গ্রাহকদের পৌঁছে দিতে হিমশিম খেতে হবে মোবাইল অপারেটরদের।

২০১৩ সালে থ্রি-জি চালুর চারবছর পর চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা ফোরজি' চালুর উদ্যোগ নিলো সরকার। এরই অংশ হিসেবে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে শুরু হয় তরঙ্গ বরাদ্দের নিলাম। যেখানে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক-এই চারটি অপারেটরের অংশ নেয়ার কথা থাকলেও নিলামে অংশ নেয় গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক। এতে নিলাম প্রতিযোগিতামূলক হবে কিনা তা নিয়ে ছিলো সংশয়।

মোট চারটি ভাগে অনুষ্ঠিত নিলামের প্রথম পর্বে ২১০০ মেগাহার্জ ব্র্যান্ডের নিলামে অংশ নেয় নি কেউই। দ্বিতীয় দফায় প্রতি মেগাহার্জ ৩০ মিলিয়ন ডলার ভিত্তিমূল্যে ১৮০০ মেগাহার্জের নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ভিত্তিমূল্য থেকে মাত্র ১মিলিয়ন ডলার বেশি দামে ৫.৬ মেগাহার্জ বাংলালিংক এবং ৫ মেগাহার্জ কিনে গ্রামীণফোন। তৃতীয় দফায় ৯০০ মেগাহার্জে নিলামে কেউ অংশ নেয়নি। চতুর্থ দফায় ২১০০ মেগাহার্জের ২৭ মিলিয়ন ডলার দামে ৫ মেগাহার্জ নিয়েছে বাংলালিংক।

নিলাম শেষে বিটিআরসি চেয়ারম্যান জানান, মাত্র দুটি অপারেটর নিলামে অংশ নেয়ায় ফোরজি'র বরাদ্দকৃত তরঙ্গের মাত্র এক তৃতীয়াংশ বিক্রি হয়েছে। ফোরজি থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য থাকলেও আয় হয়েছে মাত্র ৫০ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন ফোরজি' চালু হলে ইন্টারনেটের গতি থ্রিজি'র চেয়ে ১০গুণ বৃদ্ধি পাবে। তবে কাঙ্খিত সেবা পাওয়া নিয়ে সংশয়ে গ্রাহকরা।

গ্রাহকরা জানান, ফোরজি আসছে ভাল। তবে সেটার কতটা কার্যকর হবে সেটা নিয়ে আমাদের সংশয়।


অন্য গ্রাহকরা জানান, 'আগে আমাদের ত্রি'জির সুবিধাটা আমাদের কাজে লাগাতে হবে। তারপর ফোরজিটা নিয়ে কাজ করতে হবে।'

থ্রিজি সেবা চালু করতে ৩২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে মুঠোফোন অপারেটরগুলো। বিনিয়োগের বড় অংশ এখনো হাতে পান নি তারা। এ অবস্থায় ফোরজি সেবা গ্রাহকেরা কাছে পৌঁছে দেয়া চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলেন, 'ফোরজি তুলনামূলক অনেক সহজ। তবে ব্যবসায়ীক দিকটা চিন্তা করতে হবে। কেননা এখানে দেখার বিষয় গ্রাহকরা এটাকে কীভাবে নিবে।'

যদিও কাঙ্খিত গ্রাহক সেবা নিশ্চিতের ব্যাপারে সরকারের কঠোর মনোভাবের কথা জানালেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার চেয়ে এখানে ১৫ গুণ বেশি গ্রাহক থাকবে, আর স্প্রাকটাম কিনবেন না। কোয়ালিটি দিবেন না।

তিনি আরও বলেন, 'এদেশের অর্থ দিয়ে সেবা নিবে। আর আপনার অর্থ নিবেন সেবা দিবেন না এটা হতে পারে না।'

বিটিআরসি জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহ থেকে অপারেটরদের মাঝে ফোরজি'র লাইসেন্স বিতরণ করা হবে। আর আসছে মার্চ থেকেই দেশে ফোরজি সেবা চালু হওয়ার আশা করছে সংস্থাটি।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে