আপডেট
০৬-০২-২০১৬, ১৯:৫৩

মেলায় বইয়ের প্রকৃত পাঠক বৃদ্ধি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

bookfair-all-up
অমর একুশে গ্রন্থমেলার ষষ্ঠ দিন আজ। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকেই ছিল পাঠক-লেখকদের ভিড়। আজ দ্বিতীয় শিশু প্রহরের দেখা গেছে শিশুদের উচ্ছ্বাস। শনিবার সকাল থেকেই অভিভাবকদের হাত ধরে মেলায় আসে শিশুরা।
এদিকে, মেলায় বইয়ের প্রকৃত পাঠক বাড়ছে কিনা এই প্রশ্নে লেখক প্রকাশকরা জানালেন মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অন্যদিকে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বলছেন, প্রতিবছর মেলার পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে পাঠক সংখ্যা।

প্রতিবছরের মতো এবারো সপ্তাহের শুক্র ও শনিবারকে শিশু প্রহর হিসেবে ঘোষণা করেছে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ। এবারের বইমেলায় দ্বিতীয় শিশু প্রহরে বাচ্চাদের আনাগোনা ছিলো চোখে পড়ার মতো। সময় কেটেছে প্রিয় চরিত্র ইকরি, হালুম আর টুকটুকি সঙ্গে। নিজে না বুঝলেও বাবা মায়ের হাত ধরে গদ্য পদ্য আর স্বরলিপির বই কেনায় পিছিয়ে নেই সোনামনিরা।

এতো গেল শিশুদের কথা, সাপ্তাহিক বন্ধের দিন থাকায় বড়রাও এসেছেন দল বেধে। তবে পাঠক সংখ্যার প্রশ্নে লেখক প্রকাশকদের কাছ থেকে মিলেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

কবি পিয়াস মাজিদ বলেন, 'মনে করেন পাঠক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পাঠকের আগ্রহ আছে। '

লেখ ফরিদ কবির বলেন, আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় না পাঠক বেড়েছে। সামাজিক মাধ্যম,  অডিও ভিজুয়ালে যে সময় চলে যায় সেখানে বই পড়ার আর সময় থাকে না।


শিশুসাহিত্যিক লুৎফর রহমান রিটন বলেন, বই মেলায় প্রচুর পরিমাণে বই বিক্রি হয়। তাতে করে মানুষের বই পড়ায় অভ্যাস করতে এটা একটা সহায়ক ভূমিকা রাখে।

অন্যদিকে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বললেন, একুশে বই মেলার ব্যাপ্তি বৃদ্ধি প্রমাণ করে প্রতিনিয়তই বাড়ছে পাঠক সংখ্যা। তিনি বলেন, 'বলা হয় ই-বুক আসার কারণে হয়তো ছাপানো বইয়ের কদর কমে যাবে। কিন্তু ছাপানো বইয়ের কদর মনে হয় না কমেছে।'

একুশে গ্রন্থ মেলার ৬ষ্ঠ দিনে মেলায় এসেছে ১৫৫টি নতুন বই। বছর ঘুরে আয়োজিত এই উৎসব শুধুমাত্র আনন্দ উপলক্ষ না হয়ে সৃষ্টিশীল সৃজনশীল এবং মানবিক সমাজ গঠনে ভূমিকা পালন রাখবে এমটাই প্রত্যাশা লেখক-প্রকাশকদের।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে