বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে প্রস্তুত হয়েছিলো মুক্তির মঞ্চ

Update: 2016-03-07 08:42:23, Published: 2016-03-07 08:42:23
bb


৭ই মার্চ ১৯৭১। তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের সামনে দেয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ উদ্বুদ্ধ করেছিলো এ জাতিকে মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে।

গণতন্ত্র, সমতা আর অসাম্প্রদায়িকতাই যে বাঙ্গালির জাতীয় চেতনার সুর হবে, তা উঠে আসে কিংবদন্তীর এ ভাষণে। যে ভাষণ ২৫শে মার্চ পর্যন্ত সাত কোটি মানুষকে প্রস্তুত করেছিলো স্বাধীনতার সংকল্পে উদ্বুদ্ধ হতে।

১৯৭১ সালের ১লা মার্চ পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান যখন জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলেন তখন হোটেল পূর্বাণীতে আওয়ামীলীগ সংসদীয় দলের সংবাদ সম্মেলনে সে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে ৭ই মার্চ জনসভার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এরপর ১৮ মিনিটের সে ভাষণটি হয়ে গেছে ইতিহাস।

আকাশমুখী আঙ্গুল আর বজ্রকন্ঠের ঘোষণা সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালীকে স্বাধীনতার মন্ত্রে মহাজাগরণে সামিল হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার উদ্দীপনা যুগিয়েছিলো।

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিলো একটি অগ্নিশলাকা যা প্রজ্জলিত করেছিলো মুক্তিযুদ্ধের দাবানল। যার সামনে টিকে থাকতে পারেনি শক্তিশালী পাক বাহিনী।

বাংলা একাডেমির মহা পরিচালক শামসুজ্জামান খান বলছেন, ৭ই মার্চের ভাষণ এমনই তাৎপর্যপূর্ণ ছিলো যে, ঐ ভাষণের নির্দেশাবলী অনুসরণ করেই, জাগ্রত জনতা ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো মুক্তিযুদ্ধে।

এ ভাষণ যারা দেখার ও শোনার সুযোগ পেয়েছিলেন সেটা ছিলো তাদের জন্য চরম এক সৌভাগ্যের প্রাপ্তি।

সে সময় যারা এ ভাষণটি শুনতে পারেননি, তাদেরকে এ ভাষণের অন্তর্নিহিত প্রেরণার জায়গাগুলোকে অনুধাবন করার আহ্বান জানান বিশিষ্টজনেরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন, প্রতিটি নির্দেশ যা বুকের গভীরে ধারণ করে শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো সেদিনের যোদ্ধারা। যা পুরো মুক্তিযুদ্ধকাল সময়ে মানুষকে উজ্জীবিত করে রেখেছিলো। যে ভাষণে আমরা পেয়েছি মহাবিজয়, পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ।




Update: 2016-03-07 08:42:23, Published: 2016-03-07 08:42:23

আপনার মন্তব্য লিখুন

পাঠকের মন্তব্য ( )


More News
  


আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ



সরাসরি যোগাযোগ

৮৯, বীর উত্তম সি. আর. দত্ত রোড, ঢাকা ১২০৫, বাংলাদেশ।
ফ্যাক্স: +৮৮০২ ৯৬৭০০৫৭, ইমেইল: info@somoynews.tv
উপরে en.Somoynews.tv