SOMOYNEWS.TV

টিভি দেখতে ক্লিক করুন

দেশে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা বাড়লেও, নেই কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ

Update: 2017-03-20 11:09:22, Published: 2017-03-20 11:09:23
dairy-2-jpg-ed
দেশে প্রতিবছরই বাড়ছে দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদা। তবে সে তুলনায় কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ হচ্ছে না এ খাতে। উদ্যোক্তারা বলছেন, বিনিয়োগ ও উৎপাদন ঘাটতি দূর করার পথে প্রধান বাধা গ্যাস-বিদ্যুতের অভাব। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, দুগ্ধশিল্পের বিকাশ ও বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে আমদানি শুল্ক বাড়ানোসহ নানা পদক্ষেপের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

১৯৭৩ সালে সরকারিভাবে পাবনা, টাঙ্গাইল, মাদারিপুর, মানিকগঞ্জ ও ঢাকা এই পাঁচ জেলাকে দুধ উৎপাদনের জন্য অগ্রাধিকার প্রাপ্ত এলাকা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। এর পরের বছর প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন-মিল্কভিটা। মূলত তখন থেকেই দেশে বৃহদাকারে দুধের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ শুরু হয়।

বর্তমানে দৈনন্দিন চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাণিজ্যিক ভাবে বেকারি ও আইসক্রিম শিল্পে ব্যবহার হচ্ছে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য। প্রায় ৩০-৪০ হাজার কোটি টাকার দুগ্ধজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ বাজারে মিল্কভিটার পাশাপাশি আছে বেসরকারি আরো ১২-১৪টি প্রতিষ্ঠান। তবে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যা ও গুড়া দুধ আমদানিতে শুল্ক কমানোর কারণে প্রতিযোগিতায় পড়ায় এখাতে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ হচ্ছে না বলে মনে করেন উদ্যোক্তারা।

বর্তমানে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে বছরে ৬৫-৭০ হাজার মেট্রিক টন গুড়া দুধ আমদানি করতে হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলছেন, দুগ্ধ শিল্পের টেকসই উন্নয়নে গুড়া দুধ আমদানি নিরুৎসাহিত করার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা চলছে।

দুগ্ধশিল্প সংশ্লিষ্টদের দাবি বর্তমানে দেশে প্রতিকেজি গুড়া দুধ উৎপাদনে ব্যয় হয় ৩১০-৩১৫ টাকা। বিপরীতে প্রতিকেজি গুড়া দুধ আমদানিতে ব্যয় হয় ২৯৫-৩০৫ টাকা পর্যন্ত। তাই আমদানি শুল্ক বাড়ানোর পাশাপাশি গ্যাস বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চয়তা দিয়ে বিনিয়োগকারীদের দুগ্ধ খাতে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করা গেলে আগামী কয়েকবছরের মধ্যে আমদানি নির্ভরতা কাটিয়ে উঠা সম্ভব বলে মনে করেন উদ্যোক্তারা।

Update: 2017-03-20 11:09:22, Published: 2017-03-20 11:09:23

More News
loading...

সর্বশেষ সংবাদ



Contact Address

89, Bir Uttam CR Dutta Road,
Banglamotor, Dhaka 1205, Bangladesh.
Fax: +8802 9670057, Email: info@somoynews.tv
উপরে