আপডেট
১০-০১-২০১৭, ১৬:৪০

জামাতা কুশনারকে হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা করছেন ট্রাম্প

us-trump-up
জামাতা জ্যারেড কুশনারকে হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতারা। তাদের মতে স্বজনপ্রীতি বিরোধী আইন অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের নিকটাত্মীয় কেউ হোয়াইট হাউসের কোন পদে নিয়োগ পেতে পারেন না।
তবে কুশনারের আইনজীবী জানিয়েছেন, তাকে নিয়োগ দেয়া বিদ্যমান আইনের লঙ্ঘন নয়। ট্রাম্পের নতুন মন্ত্রিসভা অনুমোদনে সিনেটের শুনানি শুরু হতে যাচ্ছে আজ।

আর মাত্র কদিন পরই নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ট্রাম্প। তার অভিষেক অনুষ্ঠান নিয়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতিও। ট্রাম্প প্রশাসনে ঠাঁই পাচ্ছেন কারা এখন মোটামুটি পরিষ্কার সবার কাছে। এসবের মধ্যেই নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে ট্রাম্পের একটি সিদ্ধান্ত। আর তা হলো, বড় মেয়ে ইভাঙ্কার স্বামী জ্যারেড কুশনারকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত।

অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে, বিশেষ করে বাণিজ্য এবং মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে ট্রাম্পকে পরামর্শ দেবেন ৩৫ বছর বয়সী কুশনার। কুশনারকে সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে তার প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়ে গর্ববোধ করছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কুশনার মাত্র ২৫ বছর বয়সে নিউইয়র্ক অবজারভার সংবাদপত্র কিনে নেন।

কুশনারকে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডেমোক্রেট নেতারা। তাদের দাবি, আইন অনুসারে প্রেসিডেন্টের নিকটাত্মীয় কেউ হোয়াইট হাউসে নিয়োগ পেতে পারেন না। ডেমোক্রেটদের একটি দল বিচার বিভাগ ও অফিস অব দ্যা গভর্নমেন্ট এথিকস-কে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানান। তাদের মতে ১৯৬৭ সালের 'অ্যান্টি ন্যাপোটিজম' আইন অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের নিজের অধীনে কোন আত্মীয়কে কাজ দেয়াটা অবৈধ।

কুশনারের আইনজীবী অবশ্য মনে করেন এতে আইনের লঙ্ঘন হবে না। তিনি আরও জানান, সব নিয়ম-নীতির মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুতি নিচ্ছেন কুশনার। এরই মধ্যে তিনি তার ব্যবসা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করেছেন বলে জানান তিনি। তবে এই প্রথম কোন প্রেসিডেন্ট তার আত্মীয়কে কাজ দিচ্ছেন এমন নয়, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। ১৯৯৩ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন তার স্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে স্বাস্থ্যসেবা টাস্কফোর্সের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন, তখনও এমন বিতর্ক হয়েছিলো।


এর মধ্যেই ট্রাম্পের নতুন মন্ত্রিসভা অনুমোদনে সিনেটে শুনানি শুরু হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন সিনেট নেতা মিচ ম্যাক কনেল।

সিনেট নেতা মিচ ম্যাক কনেল বলেন, 'সিনেটে এই শুনানি নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা হয়েছে আমার, মন্ত্রিসভায় নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও ওবামাকেয়ার বাতিলের পথ সুগম করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে আমাদের মধ্যে।'

একইদিন ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছেন চীনা ই কমার্স প্রতিষ্ঠান আলীবাবার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান জ্যাক মা। এ সময় তিনি ট্রাম্পকে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়াও ফরাসি প্রতিষ্ঠান এলভিএমএইচের প্রধান নির্বাহীও ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়ে কথা বলেন।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে