আপডেট
২১-০৩-২০১৭, ০৮:৫৯

জাতীয় সংসদ নির্বাচন রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন

ec-plan-copy
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিপূর্ণ পরিকল্পনা সংবলিত একটি রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এতে প্রাথমিকভাবে ২০১৮সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসের ভেতরেই নির্বাচন করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমানা জটিলতা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও নির্বাচন পদ্ধতি সংক্রান্ত সকল বিষয়ের একটি সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা থাকবে এতে। এছাড়াও রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার উদ্যোগ, আইন সংস্কারসহ সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে প্রস্তাবিত রোডম্যাপে।
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সর্বপ্রথম রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছিল এটিএম শামছুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। তার আগে ও পরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতে চেকলিষ্ট তৈরি করা হলেও পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ দেয়নি কোনো কমিশন। এরইমধ্যে বর্তমান সংসদের মেয়াদ অতিক্রম করলো ৩ বছর। সেই হিসেবে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর কিংবা ১৯ সালের জানুয়ারি মাসে হতে পারে একাদশ সংসদ নির্বাচন। এমন লক্ষ্যে দ্বিতীয়বারের মত একটি পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনী পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, 'ডিসেম্বর অথবা জানুয়ারিতে পরবর্তী নির্বাচনটা অনুষ্ঠানের বিষয়টি এখন পর্যন্ত আলোচনায় আছে। একটা রোডম্যাপ হচ্ছে তারপরেও সেটা কমিশনের কাছে আসলে আমরা সেটা নিয়ে আলোচনা করবো। যদি সেখানে আরো কিছু সংযোজন বা বিয়োযোজন করার প্রয়োজন হয় তাহলে সেটাও কমিশন করবে।'

প্রস্তাবিত এই রোডম্যাপে রাজনৈতিকদলগুলোর সাথে আলোচনা, প্রয়োজনে আইন সংশোধনসহ রাখা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয়। তবে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা না থাকলেও প্রস্তুতি থাকবে কমিশনের। কবিতা খানম বলেন, 'সব দলকে নিয়ে আলোচনা করতে চাই, এমন একটা পরিকল্পনা আমাদের আছে। সুষ্ঠু নির্বাচন দেয়ার প্রয়োজনে আইনের কিছু সংস্কার করার প্রয়োজন আছে। আইন যদি সংস্কার করতে হয় তাহলে তা করা হবে। সেনাবাহিনী যাতে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার করতে পারি সেই প্রস্তুতিটা থাকবে। কিন্তু প্রয়োজন না হলে আমরা ব্যবহার করবো না।'

পরিকল্পনায় রাখা সময়ের মধ্যেই পদক্ষেপগুলো সম্পন্ন করার পরামর্শ সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইনের। তিনি বলেন, 'নির্বাচন কমিশন যে একটা রোডম্যাপ করতে যাচ্ছে এটা অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটা উদ্যোগ। তার কারণ হলো, জনগণও জেনে যাবে যে, কতদিনের মধ্যে কোন কোন কাজটা সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। আর নির্বাচন কমিশনও তৎপর থাকবে যে, আমাকে এই কাজটি এই সময়ের মধ্য করে ফেলতে হবে।' তবে রোডম্যাপটি প্রণয়নের আগে এবং পরে সংশ্লিষ্ট মহলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা যেতে পারে বলেও মত এই বিশ্লেষকের।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে