আপডেট
০৯-০১-২০১৭, ০৭:২১

উজাড় করা হচ্ছে উপকূলীয় সংরক্ষিত বনাঞ্চল

bargu-forest-jpg-ed
চোরাকারবারিদের হাতে ধ্বংস হচ্ছে উপকূলীয় সংরক্ষিত বনাঞ্চল। বন বিভাগকে ম্যানেজ করেই প্রতিনিয়ত বন থেকে গাছ কাটছে তারা। শুধু বন বিভাগ ও চোরাকারবারি নয় অবৈধ এ কাঠ ব্যবসার সাথে জড়িত সরকারি বিভিন্ন দপ্তরও। সময় সংবাদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য।
জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বরগুনার পাথরঘাটায় সমুদ্র উপকূল জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল। বনটির ঢোকার মুখে সবুজে ঘেরা চিত্র মুগ্ধ করলেও এর শেষ প্রান্তে আসলে সবাই অবাক হন। এখানে দেখা যায় হাজার হাজার ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কেটে নেয়া হয়েছে। বনে ঢুকতেই দেখা হয় চোরাকারবারিদের সাথে। গাছ কাটতে ব্যস্ত তারা। সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে কাউন্সিলর পর্যন্ত সবাই গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছে বলে তারা দাবি করে।

বন থেকে কাটা গাছ নিয়ে এসে চোরাকারবারিরা বাড়িতে তৈরি করে লাকড়ি। আর রাতের আঁধারে তা পাচার হয় সরকারি দপ্তর ও বাজারে। মাঝরাতে লাকড়ি বোঝাই একটি ভ্যানের পিছু নিয়ে দেখা যায়, এটা যাচ্ছে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ৫০ শয্যার হাসপাতালটির বেশ কয়েকটি রুম, বারান্দা ও আঙ্গিনা লাকড়িতে ভরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন রোগী ও স্টাফদের ৩ বেলার রান্না করছে এ লাকড়ি দিয়ে।

শুধু হাসপাতাল নয়, পুলিশ ফাঁড়ি ও বিভিন্ন কারখানায় চোরাই এ লাকড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে। বরগুনা পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভারপ্রাপ্ত আরএমও আরিফুর রহমান জানালেন, এ ব্যাপারে কিছুই জানে না।

আর বরগুনা পাথরঘাটা পদ্মা পুলিশ ফাঁড়ি ইন চার্জ মোঃ জালাল জানালেন, করাত কল থেকে লাকড়ি কেনা হয়।

বরগুনা পাথরঘাটা রেঞ্জ অফিসার মোঃ সোলায়মান শেখকে তার অফিসে পাওয়া না গেলেও তিনি মোবাইল ফোনে জানান, শুধু সরকারি দপ্তর নয় উপজেলার সবাই সংরক্ষিত বনের কাঠ লাকড়ি হিসেবে ব্যবহার করে।


বন বিভাগের পাথরঘাটা রেঞ্জে হরিনঘাটা, চরদোয়ানি, চর লাঠিমারা ও টেংরা নামের ৪টি বিটে ২৫ হাজার একরেরও বেশি বনভূমি আছে।




DMCA.com Protection Status

এই বিভাগের সকল সংবাদ

Contact Address

Nasir Trade Centre, Level-9,
89, Bir Uttam CR Dutta Road, Dhaka 1205, Bangladesh
Email: somoydigitalsomoynews.tv

Find us on

  Live TV DMCA.com Protection Status
উপরে