থ্রি-জি সেবা দেয়ার প্রস্তুতিতে মোবাইল অপারেটররা
সময়নিউজ.টিভি: ২০১৩-০১-৩০

ফেব্রুয়ারি মাসেই অন্যান্য মোবাইল অপারেটরদেরও থ্রি-জি লাইসেন্স দেয়ার কথা রয়েছে। আর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সেবা প্রদানে নিয়ে প্রস্তুতিও চলছে তাদের। এসব অপারেটরের সেবার মান নিয়ে অনেক জল্পনা কল্পনা থাকলেও, খরচ কম হবে বলে আশা করছেন গ্রাহকেরা। থ্রি-জি প্রযুক্তি নিয়ে ইমতিয়াজ আহমেদের রিপোর্ট।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ- বিটিআরসির হিসেব মতে এখন বাংলাদেশে মোট মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি। আর এ মুহূর্তে দেশে রয়েছে ছয়টি মোবাইল অপারেটর। ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক থেকে টেলিটকের স্থান সবার নিচে। মাত্র ১৫ লক্ষ গ্রাহক রয়েছে এ অপারেটরটির। এ অবস্থায় থ্রী জির মত একটি উচ্চ প্রযুক্তির সেবা সাধারন গ্রাহকদের মাঝে পৌঁছে দিতে কতটুকো সক্ষম রাষ্টায়ত্ত এ অপারেটরটি ?
টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মুজিবুর রহমান বলেন, 'টেলিটকের আপলোড এবং ডাউনলোড স্পিড অনেক বেশি। যেহেতু আমাদের গুনগত মান বেশি এবং চার্জ কম, তাই সেবায় কোনো অন্তরায় থাকবে না।'
থ্রি-জি প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের জন্য একটি সুষ্ঠু নীতিমালা তৈরিরও তাগিদ রয়েছে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে। পাশাপাশি খুব তাড়াতাড়ি বাকী অপারেটরেকেও থ্রি-জি লাইসেন্স প্রদান জরুরি বলে মনে করেন তারা। এই সেবা দিতে নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানালেন অন্যান্য টেলিকম অপারেটররা।
গ্রামীণফোনের চিফ কর্পোরেট অফিসার মাহমুদ হোসাইন বলেন, 'বেশি স্পিড পেলে অনেক ক্ষেত্রে জনগণ তা ব্যবহার করে উপকৃত হবে। আমরা ও অন্যরা থ্রি-জি লাইসেন্স পেলে একটা প্রতিযোগিতা থাকবে। এর উপর নির্ভর করে আমরা সেবার খরট নির্ধারণ করতে পারবো।'
টেলিটকের পাশাপাশি দ্রুত অন্যান্য অপারেটরকে থ্রি-জি লাইসেন্স প্রদান করা হলে অপারেটরগুলোর মধ্যে প্রতিযোগীতার ফলে একদিকে যেমন সেবার মান বাড়বে পাশাপাশি কমবে ব্যবহারের খরচও -এমনটাই মনে করেন সাধারন গ্রাহকরা।